জি এম রাশেদ
প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত এই নির্বাচনী ঐক্য পরবর্তীতে ১১ দলীয় জোটে রূপ নেয়। জোটটির অন্যতম শরিক দল ছিল বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। তবে আসন বণ্টনে কোনো আসন না পাওয়ায় শুরু থেকেই দলটির মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। আর সেই অসন্তোষের জের ধরেই শেষ পর্যন্ত জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
আজ দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিল না বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আজাদ জানান, খেলাফত আন্দোলনকে বৈঠকের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু তারা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বৈঠকে অংশ নেয়নি।
এ ঘটনার পর থেকেই জোট ছাড়ার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়ে ওঠে। যদিও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে একটি নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা সূত্র মাতৃভূমির খবরকে নিশ্চিত করেছে যে দলটি ইতোমধ্যেই ১১ দলীয় জোট থেকে সরে গেছে। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানা গেছে।
এরই মধ্যে জোটের বাইরে স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ আসর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে গাইবান্ধায় একটি মন্দিরের বাইরে প্রকাশ্যে শিবমূর্তি নির্মাণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের ডাক দিয়েছে দলটি।
এদিকে, খেলাফত আন্দোলনের এই সিদ্ধান্ত ১১ দলীয় জোটের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। জোটের ভবিষ্যৎ ও নির্বাচনী কৌশলে এর কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক অঙ্গনের।
মাতৃভূমির খবর