রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ফেসবুক পোস্টে ছাত্রশিবির ছাড়ার ঘোষণা নেতার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৮:২১ এএম

ফেসবুক পোস্টে ছাত্রশিবির ছাড়ার ঘোষণা নেতার

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বরিশাল মহানগরের সাবেক নেতা ও চিকিৎসক ডা. সাব্বির এলাহি সংগঠনটির সদস্যপদ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্রও জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

ডা. সাব্বির এলাহি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বরিশাল অঞ্চলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে সংগঠনের পরামর্শমূলক কার্যক্রমেও যুক্ত ছিলেন। এছাড়া বরিশাল মহানগর শাখায় বিজ্ঞান, পরিকল্পনা, ছাত্রকল্যাণ ও ক্রীড়া বিষয়ক দায়িত্বও পালন করেছেন। ছাত্রজীবনে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি সেখানে সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত জীবন এবং সাংগঠনিক দায়িত্বের মধ্যে প্রয়োজনীয় ভারসাম্য বজায় রাখা তার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই তিনি স্বেচ্ছায় সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

পরে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ডা. সাব্বির এলাহি বলেন, গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের পর সংগঠনের অভ্যন্তরীণ পরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন অনেকের সম্পৃক্ততায় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিভিন্ন ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে দায়িত্ব বণ্টন, সমন্বয় এবং সংগঠনের প্রচলিত কাঠামো কার্যকরভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু অসঙ্গতি তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, একটি শৃঙ্খলাভিত্তিক সংগঠনে দায়িত্ব ও কার্যক্রমের মধ্যে সুস্পষ্ট সমন্বয় থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিবেশ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে সংগঠনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া তার জন্য ক্রমেই দুরূহ হয়ে ওঠে।

ডা. সাব্বির এলাহি জানান, পদত্যাগের আগে তিনি কিছু সময়ের জন্য সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে বিরতি নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে সেই সুযোগ না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত সদস্যপদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার এই সিদ্ধান্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!