প্রকাশিত: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন কোরআনের একজন জনপ্রিয় দাঈ। তাঁর তাফসির শুনে দেশের বহু মানুষ ইসলামি জীবনাচরণে অনুপ্রাণিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
আল্লামা সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এসব কথা বলেন মামুনুল হক। তিনি সাঈদীর ধর্মীয় কর্মকাণ্ড ও তাফসিরের অবদানের কথা স্মরণ করে তাঁর জন্য দোয়া করেন।
মামুনুল হক বলেন, সাঈদীর জীবন ও তাঁকে ঘিরে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি আলোচিত অধ্যায় হয়ে থাকবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সাঈদীর বিরুদ্ধে পরিচালিত বিচারিক প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।
মামুনুল হক বলেন, ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট কারাবন্দি অবস্থায় চিকিৎসাধীন সাঈদীর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর জানাজা ও দাফন নিয়েও বিভিন্ন ঘটনা ঘটে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরে পিরোজপুরের সাঈদখালীতে তাঁকে দাফন করা হয়।
সাঈদীর ধর্মীয় অবদানের প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, তাফসিরের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কাছে কোরআনের বাণী তুলে ধরেছেন। তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে একজন আলেম ও দাঈকে হারানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের মাঝে তাঁর ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের স্মৃতি থেকে যাবে।
তিনি সাঈদীর জন্য মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর জীবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনার ন্যায়সংগত মূল্যায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ২০১৩ সালের সহিংসতায় নিহত ব্যক্তিদেরও স্মরণ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ আগস্টও সাঈদীর মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে বিভিন্ন ইসলামি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তাঁকে স্মরণ করে বক্তব্য দিয়েছিলেন।



