রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘প্রেসিডেন্ট অর নট, হি ইজ অলওয়েজ মাই আব্বু, মাই হিরো’

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম

‘প্রেসিডেন্ট অর নট, হি ইজ অলওয়েজ মাই আব্বু, মাই হিরো’

ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফরকে ঘিরে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তাঁর বড় মেয়ে ড. শামারুহ মির্জা। বাবার রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার চেয়ে তাঁর কাছে ব্যক্তিগতভাবে বাবার পরিচয়ই যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সেটিই তুলে ধরেছেন তিনি।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় দেওয়া এক পোস্টে বাবার ঠাকুরগাঁও সফর নিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করেন শামারুহ। তিনি জানান, নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দিতে বাবার ঠাকুরগাঁও যাওয়ার বিষয়টি তাঁকে আবেগাপ্লুত করেছে। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি তাঁদের পরিবারের দীর্ঘদিনের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেন তিনি।

শামারুহ মির্জার বক্তব্যে উঠে এসেছে বাবা-মেয়ের সম্পর্কের একটি ব্যক্তিগত দিক। রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাবার পরিচয় যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক, মেয়ের কাছে সেই পরিচয়ের আগে রয়েছে পারিবারিক সম্পর্ক। তাঁর ভাষায়, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব কিংবা পদমর্যাদা তাঁর কাছে বাবার স্বাভাবিক পরিচয়কে কখনোই ছাপিয়ে যেতে পারে না।

পোস্টে তিনি জানান, বাবার ঠাকুরগাঁও সফরের সময় সেখানে উপস্থিত থাকতে না পারায় তাঁকে খুব মনে পড়ছে। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের যে আন্তরিক সম্পর্ক রয়েছে, সেটির প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

এ সময় বাবাকে নিয়ে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি কথোপকথনের স্মৃতিও তুলে ধরেন শামারুহ। তিনি জানান, এক প্রতিবেদক তাঁকে রাষ্ট্রপতির মেয়ে হিসেবে নিজের অনুভূতি জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, বাবার রাষ্ট্রীয় পরিচয় তাঁর কাছে দ্বিতীয় বিষয়; বাবা হিসেবে তাঁর যে অবস্থান, সেটিই সবচেয়ে গভীর ও আপন।

শামারুহের এই বক্তব্যের মূল সুর ছিল—রাষ্ট্রীয় পদ মানুষের পরিচয়ের একটি অংশ হলেও পারিবারিক সম্পর্কের জায়গাটি সম্পূর্ণ আলাদা। তাই রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে ও পরে তাঁর কাছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একই মানুষ—তাঁর প্রিয় বাবা এবং আদর্শের নায়ক।

বাবার ঠাকুরগাঁও সফর উপলক্ষে দেওয়া ওই বার্তার সঙ্গে পুরোনো পারিবারিক স্মৃতির ছবিও প্রকাশ করেন শামারুহ। বাবা-মেয়ের সম্পর্কের আবেগঘন মুহূর্ত তুলে ধরা এসব স্মৃতি তাঁর বার্তাটিকে আরও ব্যক্তিগত করে তোলে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর শামারুহ মির্জার এই বক্তব্য মানুষের নজর কাড়ে। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের বাইরে একজন মেয়ের চোখে বাবার পরিচয় কীভাবে আলাদা আবেগ বহন করে, সেটিই তাঁর বার্তার প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

ঠাকুরগাঁও সফরকে ঘিরে মেয়ের এমন অনুভূতি বাবা-মেয়ের সম্পর্কের আবেগময় দিকটিকেও সামনে এনেছে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব যত বড়ই হোক, সন্তানের কাছে বাবা যে শেষ পর্যন্ত আপনজনই—শামারুহ মির্জার কথায় সেই চিরন্তন অনুভূতিই প্রকাশ পেয়েছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!