প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:০১ এএম
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে আইসিসি। এই সিদ্ধান্তের জেরেই টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েছিল বাংলাদেশ। পাশাপাশি ২০৩১ সালের পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজনের আগে বাংলাদেশকে আরও একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হবে।
আইসিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াসংক্রান্ত বা প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা হবে না। প্রয়োজনে বিসিবি আইসিসির ‘ডিসপিউট রেজুলিউশন কমিটি’র দ্বারস্থ হওয়ার অধিকারও বহাল থাকবে।
সংস্থাটি জানায়, এই সিদ্ধান্ত তাদের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার নীতির প্রতিফলন এবং শাস্তিমূলক পদক্ষেপের পরিবর্তে সহযোগিতামূলক সমাধানের পথকে গুরুত্ব দেওয়ারই অংশ।
সমঝোতার অংশ হিসেবে ২০৩১ সালের পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে, যা স্বাভাবিক আয়োজক প্রক্রিয়া ও সময়সূচির ওপর নির্ভরশীল। আইসিসি বলেছে, এটি আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আয়োজক সুযোগ বিস্তারে তাদের অঙ্গীকারকে জোরদার করে।
আইসিসি, পিসিবি ও বিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যরা ক্রিকেটের স্বার্থে সংলাপ, সহযোগিতা ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো খেলার সততা রক্ষা ও ক্রিকেট অঙ্গনে ঐক্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতে গিয়ে খেলার অনুমতি না মেলায় চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। বিসিবি ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও আইসিসি বোর্ড তা সমর্থন করেনি।
এদিকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় সংহতি জানিয়ে পাকিস্তান প্রথমে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিলেও পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। লাহোরে আইসিসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে পিসিবি ও বিসিবির আলোচনার পর বিষয়টির সমাধান এগিয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান দলকে ম্যাচে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।



