প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:৪২ এএম
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সোমবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
আইসিসি জানায়, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে বিসিবিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হবে না। একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিসিবি ও পিসিবির সঙ্গে ‘খোলামেলা, গঠনমূলক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ’ আলোচনায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬সহ দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটের সামগ্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।
বাংলাদেশ দলের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও বিসিবি আইসিসির পূর্ণ সদস্য হিসেবেই থাকবে এবং এই সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিসিবি চাইলে আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির দ্বারস্থ হওয়ার অধিকারও বহাল থাকবে।
আইসিসি জানায়, তাদের অবস্থান নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতার নীতির ওপর ভিত্তি করে এবং লক্ষ্য শাস্তির পরিবর্তে সহযোগিতামূলক সমাধান নিশ্চিত করা। সমঝোতার অংশ হিসেবে ২০৩১ সালের পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে। ওই বিশ্বকাপ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ আয়োজনে হওয়ার কথা রয়েছে।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক হলেও এতে বাংলাদেশের প্রতি সংস্থাটির অঙ্গীকারে কোনো পরিবর্তন আসবে না। তিনি জানান, বিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারের সঙ্গে কাজ করে দেশের ক্রিকেটের টেকসই অগ্রগতি এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করাই তাদের লক্ষ্য।



