প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কাতারের বিপক্ষে কানাডার ৬–০ গোলের দাপুটে জয়ের ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ছাপিয়ে গেছে এক ভয়াবহ ইনজুরির ঘটনায়। ম্যাচের মাঝপথে কানাডার মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনে মারাত্মক ট্যাকলের শিকার হয়ে গুরুতরভাবে আহত হন। পরে চিকিৎসা সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে তার পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।
ঘটনাটি ঘটে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে, ম্যাচের প্রায় ৫২তম মিনিটে। কাতারের খেলোয়াড় আসিম মাদিবো বল দখলের লড়াইয়ে পিছন দিক থেকে কোনের পায়ে শক্ত ট্যাকল করেন। মুহূর্তেই মাঠে নেমে আসে নীরবতা। খেলোয়াড়দের চেহারায় আতঙ্ক স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ঘটনার ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে, সম্প্রচারক সংস্থাগুলো রিপ্লে প্রচার থেকে বিরত থাকে। মাঠের পাশের মাইক্রোফোনে একজন খেলোয়াড়কে বলতে শোনা যায়, “তার পা অস্বাভাবিকভাবে বেঁকে গেছে।” সঙ্গে সঙ্গে দুই দলের খেলোয়াড়রা আহত ফুটবলারের চারপাশে মানবঢাল তৈরি করেন, যাতে দর্শকরা দৃশ্যটি না দেখতে পান।
চিকিৎসা দল দ্রুত মাঠে প্রবেশ করে এবং দীর্ঘক্ষণ প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেওয়া হয়। এ সময় দর্শকদের উদ্দেশে হাত নাড়িয়ে মাঠ ছাড়েন কানাডার এই মিডফিল্ডার।
ঘটনার পর রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে কাতারের খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন। এর আগে আরও একটি লাল কার্ডের কারণে কাতার ৯ জনের দলে পরিণত হয়েছিল।
ম্যাচ শেষে কানাডার কোচ জানান, ঘটনাটি তাদের ডাগআউটের সামনেই ঘটে এবং শব্দ শুনেই তারা বুঝতে পারেন চোটটি অত্যন্ত গুরুতর। দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে হারানো তাদের জন্য বড় ধাক্কা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কানাডার একাধিক খেলোয়াড়ও এই ট্যাকলকে অপ্রয়োজনীয় ও বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করেন। তারা মনে করেন, এটি সরাসরি লাল কার্ডযোগ্য ফাউল ছিল এবং কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
বড় জয় পেলেও ইসমাইল কোনের ভয়াবহ ইনজুরি এখন কানাডা দলের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



