প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ঘিরে ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইকে সামনে রেখে দুই শিবিরে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগেই মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধে এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মার্ক গেহি মনে করেন, এই ম্যাচে প্রকৃত চাপ তাদের দলের ওপর নয়, বরং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ওপরই বেশি। তার মতে, শিরোপাধারী দল হিসেবে প্রত্যাশার ভার বহন করতে হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিদের। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা বাড়তি চাপ না নিয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে নামবে।
গেহি বলেন, বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ উপভোগ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বিশ্বাস করেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভয় বা চাপ নয়, আত্মবিশ্বাসই সাফল্যের চাবিকাঠি হতে পারে।
এই ম্যাচকে ঘিরে দুই দেশের ফুটবল ইতিহাসও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অতীতের বেশ কয়েকটি স্মরণীয় ও বিতর্কিত ম্যাচ দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বিশেষ মাত্রা দিয়েছে। তবে ইংল্যান্ড শিবিরের দাবি, অতীতের ঘটনা নয়, বর্তমানের পারফরম্যান্সই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ইংল্যান্ডের আরেক রক্ষণভাগের খেলোয়াড় এজরি কনসা জানিয়েছেন, দল শুধুমাত্র মাঠের খেলায় মনোযোগ দিচ্ছে। প্রতিপক্ষের নাম বা ইতিহাস নিয়ে নয়, নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে রয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। তাকে ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনা থাকলেও ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা মনে করেন, আর্জেন্টিনা কেবল একজন খেলোয়াড়ের দল নয়। তাদের দলে আরও অনেক ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্যসম্পন্ন ফুটবলার রয়েছেন। তাই পুরো দলকে মাথায় রেখেই কৌশল সাজাচ্ছে ইংল্যান্ড।
ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা, দুই পরাশক্তির এই লড়াই বিশ্বকাপ ইতিহাসে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।



