প্রকাশিত: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ০৪:৩১ পিএম
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় আল-আমিনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। গত জুনে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির ফুটবল প্রতিযোগিতায় মাঠে উত্তেজনা ও মারামারির ঘটনায় তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় বাংলাদেশের মিডফিল্ডার মিরাজুল ইসলামকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ফিফার দেওয়া নিষেধাজ্ঞার কারণে আল-আমিনকে দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকতে হতে পারে। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচের বর্তমান সূচি বিবেচনায় ১৫ ম্যাচের এই শাস্তি কার্যকর হতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। ফলে এই সময়ে জাতীয় দল কিংবা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামার সুযোগ পাবেন না তিনি।
গত ৭ জুন মালদ্বীপের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঘটনার সূত্রপাত হয়। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে মালদ্বীপের খেলোয়াড় হাসান ইনাজ মাঠে পড়ে যান। এরপর রেফারি মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।
পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মাঠের বাইরে থেকে প্রতিবাদ করায় মিরাজুল ইসলামকে লাল কার্ড দেখানো হয়। পরে রেফারির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে গিয়ে আল-আমিনও লাল কার্ড দেখেন। একপর্যায়ে তিনি রেফারিকে ধাক্কা দেন। এরপর মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। তবে মাঠের সেই উত্তেজনার বড় ধরনের শাস্তি পেলেন বাংলাদেশের দুই ফুটবলার।
আল-আমিনের জন্য এটি অবশ্য প্রথম নিষেধাজ্ঞার ঘটনা নয়। এর আগে ঘরোয়া ফুটবলেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিলেন তিনি। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড়ের জন্য বিরল ও বড় শাস্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



