রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মেসির জাদুর পরও আটলান্টার কাছে আটকে গেল মায়ামি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১১:৩০ এএম

মেসির জাদুর পরও আটলান্টার কাছে আটকে গেল মায়ামি

ফাইল ছবি

লিওনেল মেসির অসাধারণ দুটি সহায়তা থেকে দুটি গোল পেল ইন্টার মায়ামি। কিন্তু আর্জেন্টাইন তারকার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সও দলকে পূর্ণ তিন পয়েন্ট এনে দিতে পারেনি। ঘরের মাঠে আটলান্টা ইউনাইটেডের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে মায়ামিকে।

আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচটি মায়ামির জন্য ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত মৌসুমের পূর্বাঞ্চলীয় সম্মেলনের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে এবং শিরোপার দৌড়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে জয় প্রয়োজন ছিল তাদের। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার পর প্রথমবার ক্লাবের হয়ে মাঠে ফেরেন আটবারের ব্যালন ডি অরজয়ী মেসি। মাঠে ফিরেই নিজের সামর্থ্যের ছাপ রাখেন তিনি।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। বল দখল ও আক্রমণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ৩২তম মিনিটে মেসির নিখুঁত বাড়ানো বল কাজে লাগিয়ে মায়ামিকে এগিয়ে দেন কাজিমিরো। গোল পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাস বাড়ে স্বাগতিকদের।

তবে এগিয়ে থাকার আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মাত্র তিন মিনিট পরই গোল করে আটলান্টাকে সমতায় ফেরান মিগেল আলমিরন। ৩৫তম মিনিটের সেই গোলে ম্যাচ আবারও সমানে সমান হয়ে যায়। এরপর দুই দলই দ্বিতীয় গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও নিজের সৃজনশীলতার পরিচয় দেন মেসি। ৪৫+১ মিনিটে তাঁর দারুণ পাস থেকে বল পেয়ে ইন্টার মায়ামির হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন লুইস সুয়ারেস। ফলে বিরতিতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিক দল।

দ্বিতীয়ার্ধে মায়ামি ব্যবধান ধরে রাখার চেষ্টা করলেও আটলান্টা একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। ম্যাচের শেষ দিকে সেই চাপ আরও বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৮৭তম মিনিটে আটলান্টার সামনে আসে সমতায় ফেরার বড় সুযোগ। দলটি পেনাল্টি পেলে দায়িত্ব নেন অভিষিক্ত ফরোয়ার্ড ব্রেল এমবোলো।

অভিষেক ম্যাচেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করেন এমবোলো। তাঁর সেই গোলেই ২-২ সমতায় ফেরে আটলান্টা। শেষ পর্যন্ত আর কোনো দল ব্যবধান গড়তে না পারায় ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় উভয় দলকে।

জয় না পেলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মেসি আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছেন। চলতি মৌসুমে ২২ ম্যাচে ১৮ গোল করে তিনি এখনো সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। তাঁর পেছনে ১৬ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন এফসি ডালাসের পিটার মুসা। ১৪ গোল নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন নিউইয়র্ক সিটি এফসির নিকোলাস ফার্নান্দেস মারকাউ।

মেসির জোড়া সহায়তা, সুয়ারেসের গোল এবং শেষ মুহূর্তে এমবোলোর পেনাল্টি—সব মিলিয়ে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর এক ড্রতেই গড়ায়

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!