প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
এক সময় জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিত সাকিব আল হাসান দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে রয়েছেন। তবে মাঠের ক্রিকেট থেকে দূরে থাকলেও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত খেলছেন তিনি। ক্রিকেটীয় সাফল্যের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন ও সিদ্ধান্ত বরাবরই আলোচনায় থাকে।
সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে সাকিবকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে তার রাজনৈতিক ভূমিকা। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও রাজনীতির বিষয়ে নিজের অবস্থান থেকে এখনো সরে আসেননি তিনি।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মাগুরা-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাকিব আল হাসান। ওই নির্বাচনে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তবে একই বছরের জুলাইয়ে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হলে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় সাকিব তখন দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন।
এরপর তার নামে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং সাবেক সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে জনরোষের মুখেও পড়তে হয় তাকে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী সাকিব। এমনকি তিনি দেশে ফিরে আবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।
ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব স্পষ্টভাবে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে অংশ নেব না কেন? অবশ্যই করব। এ বিষয়ে আমার কোনো দ্বিধা নেই। ইনশাআল্লাহ, আমি আমার জন্মস্থান মাগুরা থেকেই আবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘মাগুরার মানুষের জন্য কাজ করতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’ মাঠের বাইরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সাকিব যে এখনো দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তার বক্তব্যেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।



