প্রকাশিত: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। প্রশ্নফাঁস ও গুজব প্রতিরোধে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে বিশেষ ডিজিটাল যোগাযোগব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রিক যেকোনো অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধে একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণ সেল গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সারাদেশের পরীক্ষা পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সাইবার অপরাধের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি যন্ত্র সক্রিয় আছে কি না, তা কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে।
পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগের কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন সংশোধনীতে ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে এবং খসড়াটি বর্তমানে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
খাতা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরীক্ষকদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছে এবং ‘মানবিক নম্বর’ দেওয়ার যে গুজব ছড়িয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই।
কোচিং নির্ভরতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান আরও উন্নত করা গেলে শিক্ষার্থীদের কোচিংমুখী হওয়ার প্রবণতা কমবে।



