রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এলো জরুরি নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এলো জরুরি নির্দেশ

প্রতীকী ছবি

জাতীয় পর্যায়ের ফুটবল প্রতিযোগিতাকে আরও আকর্ষণীয় ও অংশগ্রহণমূলক করে তুলতে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রতিযোগিতার পরিচিতিচিহ্ন, দৃশ্যধারণভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য উপস্থাপনা, প্রতীকচিত্র, শ্লোগান এবং প্রতিযোগিতার মূল সংগীত আহ্বান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

সোমবার জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, অধিদপ্তরের আওতাধীন সব বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনে অংশ নিতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজস্ব সৃজনশীলতা ও মৌলিক চিন্তার মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত কাজ জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে সব উপকরণ নির্ধারিত ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি করা পরিচিতিচিহ্ন নির্ধারিত চিত্ররূপে জমা দিতে হবে। স্বল্পদৈর্ঘ্য দৃশ্যধারণে অবশ্যই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলার দৃশ্য বা ফুটবলভিত্তিক বিষয়বস্তু তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি প্রতিযোগিতার মূল ভাবনা প্রকাশ করে এমন শ্লোগান, প্রতীকচিত্র এবং সংগীতও জমা দেওয়া যাবে।

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, প্রতিটি কাজের সঙ্গে অংশগ্রহণকারীর নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়, সচল মুঠোফোন নম্বর এবং যোগাযোগের ঠিকানা সংযুক্ত করতে হবে, যাতে প্রয়োজনে সহজেই যোগাযোগ করা যায়। ইতোমধ্যে যারা নির্ধারিত বিষয়গুলোর কোনোটি জমা দিয়েছেন, তাদের পুনরায় পাঠানোর প্রয়োজন হবে না।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে। একই সঙ্গে জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতাকে ঘিরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হবে। প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত সেরা সৃষ্টিগুলো জাতীয় পর্যায়ে ব্যবহারের পাশাপাশি বিজয়ীদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হবে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের কেবল খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করবে না, বরং শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেও তাদের অংশগ্রহণ বাড়াবে। ফলে জাতীয় পর্যায়ের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!