রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এসএসসিতে ২২৬ মাদ্রাসার কেউ পাস করেনি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১২:১৪ পিএম

এসএসসিতে ২২৬ মাদ্রাসার কেউ পাস করেনি

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি। এর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২২৬টি। অর্থাৎ শূন্য পাসের তালিকায় সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায়।

সোমবার প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২২৬টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি। একইভাবে দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি প্রতিষ্ঠানেরও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।

এ ছাড়া দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার একটি কেন্দ্রেও কোনো পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়নি। সব মিলিয়ে চলতি বছর ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্যে নেমে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ প্রয়োজনীয় নম্বর অর্জন করে উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

সোমবার সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল শিক্ষামন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।

চলতি বছরের সামগ্রিক ফলাফলে পাসের হার আগের বছরের তুলনায় কমেছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের বিষয়টিও ফলাফল প্রকাশের পর বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি শুধু শিক্ষার্থীদের ফলাফল দিয়ে বিচার করার সুযোগ নেই। শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন বিষয় এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল পর্যালোচনা করে কোথায় শিক্ষার্থীদের ঘাটতি রয়েছে এবং কীভাবে শিক্ষার মান উন্নত করা যায়, তা চিহ্নিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন এত বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে কার্যকর পর্যালোচনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!