রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এক এগারো ইস্যুতে নতুন বার্তা প্রসিকিউশনের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম

এক এগারো ইস্যুতে নতুন বার্তা প্রসিকিউশনের

প্রতীকী ছবি

এক–এগারোর সময়সহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত যে কোনো ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, যেসব ঘটনা ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত হবে, সেগুলো স্বপ্রণোদিতভাবে তদন্ত করা হবে এবং প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

ক্রসফায়ারের ঘটনাগুলোও কি তদন্তের আওতায় আসবে—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান কৌঁসুলি জানান, সব ঘটনা নয়; তবে যেগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ট্রাইব্যুনালের আওতায় পড়বে, সেগুলোই তদন্ত করা হবে।

এক–এগারোর সময়ের বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সে সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ যদি প্রমাণিত হওয়ার মতো উপাত্ত পাওয়া যায়, তাহলে তা তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে, তা এক–এগারো নামে পরিচিত। সে সময় রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বেও ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে সে পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয় এবং সেনা–সমর্থিত নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।

এদিকে এক–এগারোর প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় ট্রাইব্যুনালে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

প্রধান কৌঁসুলি স্পষ্ট করে বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেই যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!