রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মার্কিন আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ডা. জুবাইদা রহমানের ভাষণ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৫, ২০২৬, ১০:৪১ এএম

মার্কিন আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে ডা. জুবাইদা রহমানের ভাষণ

ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক শিশু উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সহধর্মিণীরা অংশ নেন, যা শিশুদের কল্যাণ ও সম্ভাবনা বিকাশে আন্তর্জাতিক সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে সেই দেশের শিশুদের লালন-পালন, শিক্ষা ও মূল্যবোধ গঠনের ওপর।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার পরিবারভিত্তিক সহায়তা জোরদার করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু করেছে, যা পরিবারকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি শিশুদের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন।

শিক্ষা খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। শিক্ষকদের জন্য ট্যাবলেট সরবরাহ, পাঠ্যক্রম আধুনিকীকরণ এবং শ্রেণিকক্ষে বহুমাধ্যমভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শহর ও গ্রামের মধ্যে শিক্ষাগত বৈষম্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে নারীর অগ্রযাত্রার একটি শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। অতীতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ নারীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে অংশগ্রহণ বাড়িয়েছে। বর্তমান সরকারও নারীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ডা. জুবাইদা রহমান বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, সহনশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।

সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে তিনি অংশ নেন এবং শিশু উন্নয়নসংক্রান্ত উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শনীও পরিদর্শন করেন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!