প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০২:২১ পিএম
আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট মাঠে ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নারী প্রধানদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, গৌরনদী উপজেলায় ইতোমধ্যে ৬০০ পরিবার এই সুবিধার আওতায় এসেছে। পর্যায়ক্রমে আরও পরিবারকে যুক্ত করা হবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর যে বাজেট পাওয়া গেছে, সেটি আগের সরকারের প্রণীত বাজেট ছিল। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত কোনো বরাদ্দ ছিল না। তবে নতুন বাজেটে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, আগামী এক বছরের পরিকল্পনায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৪১ লাখ পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে প্রতিটি উপজেলায় গড়ে প্রায় সাত হাজার পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষের পাশাপাশি নারীদের শিক্ষা, দক্ষতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ লক্ষ্যে নারীদের উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ এবং ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলাই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়ন আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া পরিবারগুলোর সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পরে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বাটাজোর এলাকা থেকে বরিশাল নগরীর উদ্দেশে রওনা হন।



