প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
অপতথ্য, বিভ্রান্তিকর প্রচার এবং সাইবার মাধ্যমে ব্যক্তিগত নিপীড়নের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিবেচনায় মিথ্যা তথ্য প্রচার কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি কিংবা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সাইবার নিপীড়ন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হয়েছে, যা প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো ঘটনার বিরুদ্ধে নীতিগতভাবে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অতীতে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে গড়ে ওঠা প্রশাসনিক কাঠামো একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রয়োজন মনে করলে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস বা নতুন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে পারেন। এ ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি; সম্পূর্ণ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে।
এ ছাড়া এক বছর আগে ঘটে যাওয়া মাইলস্টোনের বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে আবারও স্পষ্ট করা হয়েছে, জনস্বার্থবিরোধী অপপ্রচার, সাইবার মাধ্যমে হয়রানি এবং আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।



