রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক সূচনাকে দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে শিল্প বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদন সক্ষমতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

সোমবার আনোয়ারায় শিল্পাঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি কেবল একটি শিল্পাঞ্চল নির্মাণের উদ্যোগ নয়, বরং বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের বাস্তব প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ দেশের শিল্পখাতকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে।

তিনি আরও বলেন, কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরের এই শিল্পাঞ্চল ভবিষ্যতে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাত আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকার বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাশাপাশি দ্রুত প্রশাসনিক সেবা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় সংযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগও অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই শিল্পাঞ্চল পরিচালিত হবে, যা দেশীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে। স্থানীয় জনগণের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারেও এ প্রকল্প ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তি, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত, অর্থনৈতিক অঞ্চল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, এ শিল্পাঞ্চল ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের টেকসই শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!