রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর সড়কে বসছে ১ হাজার নতুন আরেক প্রযুক্তির নজরদারি ক্যামেরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

রাজধানীর সড়কে বসছে ১ হাজার নতুন আরেক প্রযুক্তির নজরদারি ক্যামেরা

সংগৃহীত

রাজধানীর সড়কে যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন আরও কার্যকর করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে ধাপে ধাপে এক হাজার নতুন ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে পূর্বাচলের তিনশ ফুট সড়কে এ কার্যক্রমের সূচনা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তুলনামূলক কম ব্যয়ে এবং স্বল্প সময়ে অধিক এলাকা নজরদারির আওতায় আনতেই এই নতুন ধরনের ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ক্যামেরার পাশাপাশি নতুন ক্যামেরাগুলোও সড়কের বিভিন্ন কার্যক্রম ধারণ করবে। এগুলোর সংরক্ষণক্ষমতা বেশি হওয়ায় দীর্ঘ সময়ের ভিডিও ধারণ করে রাখা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ পরবর্তীতে পর্যবেক্ষণ করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে আইন প্রয়োগ আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কয়েক ডজন ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং সেগুলো নিয়মিত নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

শুধু নজরদারি নয়, রাজধানীর যানজট কমাতে নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও চালু করা হচ্ছে। কয়েকটি ব্যস্ত মোড়ে যান চলাচলের ধরণ পরিবর্তন, সড়ক বিভাজক অপসারণ এবং বিকল্প ঘুরে যাওয়ার ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে যানজট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধাপে ধাপে আরও নতুন স্বয়ংক্রিয় সংকেতব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ উচ্চশব্দের হর্ন ব্যবহার ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতি মাসেই বিপুলসংখ্যক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় মামলা করা হচ্ছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে রাজধানীতে নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও আধুনিক সড়কব্যবস্থা গড়ে তোলাই লক্ষ্য।

কর্তৃপক্ষের আশা, নতুন নজরদারি ব্যবস্থা চালু হলে আইন অমান্যের প্রবণতা কমবে, যান চলাচল আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং রাজধানীবাসী অপেক্ষাকৃত স্বস্তিদায়ক যাতায়াত সুবিধা পাবেন।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!