রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আগামীকাল চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৮, ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম

আগামীকাল চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে রোববার চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর এই সফরকে ঘিরে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, চট্টগ্রামে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে বাঁশখালী উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করবেন। একই সঙ্গে সরকারি সহায়তায় পুনর্নির্মাণ করা ১০০টি নতুন ঘর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। এতে বন্যায় ঘরবাড়ি হারানো পরিবারগুলো নতুন করে আশ্রয়ের সুযোগ পাবে।

এরপর দুপুরের দিকে হেলিকপ্টারে ফটিকছড়ির পাইন্দং এলাকার পেলাগাজী দিঘির সিএন্ডবি মাঠে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে বাবুনগর মাদরাসায় যাবেন তিনি। সেখানে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি দেশের বিশিষ্ট আলেমদের অংশগ্রহণে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

সফরের পরবর্তী পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারী মাদরাসা পরিদর্শন করবেন। সেখানে হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করবেন তিনি। পরে হাটহাজারী কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাজসজ্জার কাজ করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। সড়কের বিভিন্ন অংশে শোভা পাচ্ছে ব্যানার ও ফেস্টুন। একই সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং জনসভা ঘিরে ভিড় নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অবতরণস্থল, জনসভাস্থল, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আশপাশের এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। হেলিপ্যাড প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে পুরো সফরসূচির প্রতিটি ধাপ নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

বন্যার সংকটের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি উপস্থিতিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে। দুর্গতদের দুর্ভোগ, পুনর্বাসন এবং এলাকার উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয়রা।

সব প্রস্তুতি শেষ করে এখন প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর মানুষ। বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি তাঁর এই সফর স্থানীয় পর্যায়ে নতুন আশার সঞ্চার করবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!