রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নবম পে স্কেল চূড়ান্তের পথে, আজই উঠতে পারে মন্ত্রিসভায়

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ০১:৫২ পিএম

নবম পে স্কেল চূড়ান্তের পথে, আজই উঠতে পারে মন্ত্রিসভায়

প্রতীকী ছবি

সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করার কাজ ইতোমধ্যে শেষ করেছে সংশ্লিষ্ট সচিব কমিটি। সবকিছু ঠিক থাকলে সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন মিললে পরবর্তী সময়ে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার পথ খুলবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে নবম বেতন কাঠামোর সুপারিশ উপস্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে নবম বেতন কাঠামোর আংশিক কার্যকারিতা ধরা হতে পারে। এরপর কয়েক ধাপে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন এগিয়ে নিয়ে ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পুরো কাঠামো কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থ বিভাগ গত ২৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রীকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অবহিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ার পরই খসড়া প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বিবেচনার জন্য উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রণীত নতুন বেতন কাঠামো এখন অনেকটাই চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

এর এক দিন আগেও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছিলেন, নতুন বেতন কাঠামো সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বেতন কাঠামো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং যেকোনো সময় এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

নতুন বেতন কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়ায় চলতি বছরের ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কমিশনের প্রধান ছিলেন সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান।

কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখার পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে নতুন বেতন কাঠামো দেশের সরকারি কর্মচারীদের আয় ও সুযোগ-সুবিধায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। তবে এর কার্যকর বাস্তবায়ন নির্ভর করবে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী সরকারি প্রজ্ঞাপনের ওপর।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!