রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সীমান্ত ইস্যুতে সজাগ থাকার আহ্বান পরওয়ারের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ১১:২৮ পিএম

সীমান্ত ইস্যুতে সজাগ থাকার আহ্বান পরওয়ারের

ছবিঃ সংগৃহীত

সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও জোরপূর্বক অনুপ্রবেশের অভিযোগ ঘিরে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে একটি রাজনৈতিক জোট। সমাবেশ থেকে প্রতিবেশী দেশের প্রভাব বিস্তারমূলক নীতির বিষয়ে জনগণকে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা সীমান্তে সহিংসতা, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পরে সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। তিনি দাবি করেন, সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার কারণে জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এ অবস্থায় দেশের মানুষকে যেকোনো ধরনের চাপ বা প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থান প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেওয়া নেতারা অভিযোগ করেন, সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং নিরীহ মানুষের প্রাণহানির ঘটনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। তারা মনে করেন, এ ধরনের ঘটনার স্থায়ী সমাধানে আরও কার্যকর কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।

সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও। তারা বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় আরও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে জনগণকে সচেতন থেকে যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার আহ্বানও জানানো হয়।

সমাবেশ শুরুর আগে শাহবাগ এলাকায় জোটের নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক অতিক্রম করে পল্টন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

বক্তারা দাবি করেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নিরীহ মানুষের জীবনরক্ষা এবং জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হতে হবে। তাদের ভাষ্য, দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!