রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আমি কারও জমি দখল করিনি: কাফি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম

আমি কারও জমি দখল করিনি: কাফি

ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমিতে রাস্তা নির্মাণকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। জমি দখলের অভিযোগের জবাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা ও আলোচিত সমাজমাধ্যম ব্যক্তিত্ব নুরুজ্জামান কাফি সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছেন, তিনি কোনো অবৈধ দখল বা জবরদখলের সঙ্গে জড়িত নন। বরং বৈধ প্রক্রিয়ায় জমি ক্রয়ের ভিত্তিতেই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কাফি বলেন, কয়েক বছর আগে তিনি সড়কের পাশের একটি জমি কিনেছিলেন। কিন্তু সেখানে যাতায়াতের জন্য কোনো পথ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজছিলেন। পরে জমি নিয়ে চলমান বিরোধের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, দাবিদার একটি পরিবার একাধিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে মালিকানা দাবি করছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পরিবারের কাছ থেকে বায়না চুক্তির মাধ্যমে কিছু জমি গ্রহণের পর সেখানে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জমির দাবিদার পরিবারের সদস্যরাও কাফির বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান। তারা দাবি করেন, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালতের রায় তাদের পক্ষে এসেছে এবং সেই ভিত্তিতেই জমির একটি অংশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক ভিন্ন দাবি করেছেন। তার মতে, সংশ্লিষ্ট জমি প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত এবং বহু বছর ধরে তাদের দখলে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিচারাধীন একটি বিষয় থাকা সত্ত্বেও সেখানে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে জমিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে রেকর্ডভুক্ত বলে তথ্য পাওয়া গেলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করবে।

স্থানীয়ভাবে বহুল আলোচিত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। জমির প্রকৃত মালিকানা এবং রাস্তা নির্মাণের বৈধতা নির্ধারণে আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সবাই।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!