প্রকাশিত: জুন ১৭, ২০২৬, ০৮:৪৮ এএম
দীর্ঘ ২৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের আসরে ফিরে স্মরণীয় সূচনা করেছে নরওয়ে। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ইরাককে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে ইউরোপের দেশটি। দলের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন তারকা ফরোয়ার্ড এরলিং হালান্ড, যিনি দুই গোল করে ম্যাচের নায়কে পরিণত হন।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। তাদের ধারাবাহিক চাপে ২৯তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা মেলে। সতীর্থদের দারুণ সমন্বিত আক্রমণ থেকে বল পেয়ে সহজ সুযোগ কাজে লাগান হালান্ড। বিশ্বকাপের মঞ্চে এটি ছিল তাঁর প্রথম গোল, যা বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তবে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি ইরাক। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে দুর্দান্ত এক শিরোপ্রাপ্ত আক্রমণ থেকে সমতায় ফেরে দলটি। কিন্তু বিরতির আগেই আবারও এগিয়ে যায় নরওয়ে। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হালান্ড। এর ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর গোলসংখ্যা আরও সমৃদ্ধ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ইরাক একাধিকবার আক্রমণে উঠে এলেও নরওয়ের রক্ষণভাগ ছিল বেশ সংগঠিত। ফলে গোলের সুযোগ তৈরি করেও সফল হতে পারেনি এশিয়ার প্রতিনিধিরা। অন্যদিকে ম্যাচের শেষভাগে কর্নার থেকে হেডে তৃতীয় গোল আদায় করে নেয় নরওয়ে। এতে জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়।
শেষদিকে হালান্ড হ্যাটট্রিকের কাছাকাছি পৌঁছালেও গোলরক্ষকের দুর্দান্ত দক্ষতায় সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। তবে ম্যাচের শেষ গোলের পেছনেও তাঁর অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে বল জালে প্রবেশ করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-১।
এই জয়ের মাধ্যমে নিজেদের গ্রুপের শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে নরওয়ে। দীর্ঘদিন পর বিশ্বকাপে ফিরে এমন দাপুটে জয় দলটির আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন তাদের সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ, যেখানে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ থাকবে।



