রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রাম শেরশাহ নালা থেকে উদ্ধার ১ হাজার ৩২০টি গুলি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম

চট্টগ্রাম শেরশাহ নালা থেকে উদ্ধার ১ হাজার ৩২০টি গুলি

সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের শেরশাহ বাংলাবাজার এলাকায় একটি নালা থেকে বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ মোট এক হাজার ৩২০টি গুলি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে এগুলো ব্যবহৃত গুলি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ গুলি নালায় এসে পড়ল এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

শনিবার দুপুরে বায়েজিদ বোস্তামি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি বস্তার ভেতর থেকে গুলিগুলো উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া গুলির মধ্যে ১২০টি বড় আকারের এবং এক হাজার ২০০টি ছোট আকারের। সবগুলো গুলি আলামত হিসেবে জব্দ করে পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, স্থানীয় কয়েকজন নালার পাশে সন্দেহজনক একটি বস্তা দেখতে পেয়ে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তাটি খুলে বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার করে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এগুলো ব্যবহৃত গুলি বলে ধারণা করা হলেও কোন অস্ত্রে ব্যবহার করা হয়েছে, কতদিন আগে সেখানে ফেলা হয়েছে এবং এর সঙ্গে কোনো অপরাধমূলক ঘটনার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া আলামত বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে। প্রয়োজনে বিভিন্ন সংস্থার সহায়তায় গুলিগুলোর উৎস এবং ব্যবহারের ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। একই সঙ্গে আশপাশের এলাকার নজরদারি চিত্র, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্তও যাচাই করা হচ্ছে।

ঘটনার পর এলাকাজুড়ে কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, জনবহুল একটি এলাকায় এত বিপুল পরিমাণ গুলি কীভাবে দীর্ঘ সময় পড়ে ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি দৃশ্যে দেখা যায়, সাদা রঙের একটি বস্তা থেকে উদ্ধার করা গুলিগুলো নালার পাশে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের চূড়ান্ত মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!