রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১৩ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারাদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম

১৩ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারাদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

সংগৃহীত

বৈরী আবহাওয়া, টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিবন্ধন সম্পন্ন করলে এসব শিক্ষার্থী পুনঃনির্ধারিত তারিখে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

শনিবার প্রকাশিত এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ২৯ জুলাই-এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্রে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের যেসব পরীক্ষার্থী প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, কেবল তারাই এই বিশেষ সুযোগের আওতায় থাকবেন। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের দপ্তর ব্যবস্থাপনা বিষয়ের পরীক্ষার্থীরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোকে ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে আগ্রহী পরীক্ষার্থীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ৩০ জুলাই-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে হবে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থী যেন শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিক্ষাজীবনে ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুনঃপরীক্ষা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে এবং একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে বারো লাখের বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তবে অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত দিনে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি। তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীরা নতুন করে নিজেদের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ পাবেন এবং কোনো শিক্ষার্থী শুধুমাত্র অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

মাতৃভূমির খবর

Advertisement
Advertisement
Link copied!