প্রকাশিত: অক্টোবর ২৩, ২০২৫, ১০:৪৯ এএম
২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময়সীমা আজ শেষ হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ায় আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুধুমাত্র অনলাইন মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। শিক্ষার্থীরা https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। কোনো শিক্ষা বোর্ড বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় সরাসরি আবেদন গ্রহণ করবে না। আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতি পত্রের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা, এবং দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রেই আবেদন করতে হবে। ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, সোনালী সেবা ও টেলিটক সিমের মাধ্যমে।
আবেদনের ধাপসমূহ:
নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে পরীক্ষার্থীর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।
এরপর বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।
মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে—ফল প্রকাশের পর এই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের ফল জানানো হবে।
পরবর্তী স্ক্রিনে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে এবং পছন্দসই বিষয় নির্বাচন করে আবেদন সম্পন্ন করা যাবে।
অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানান, ফল প্রকাশের তারিখ থেকেই ৩০ দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের নিয়ম রয়েছে। সেই হিসাবে আগামী আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়ে জানানো হবে। সংশোধিত ফল বোর্ডের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে।
এর আগে, ১৬ অক্টোবর সকাল ১০টায় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীরা www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে বা মোবাইলের 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানতে পেরেছে।
সারাদেশে এবছর ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি- ২ লাখ ৯১ হাজার ২৪১ জন। এরপর রাজশাহী ১ লাখ ৩৩ হাজার ২৪২, কুমিল্লা ১ লাখ ১ হাজার ৭৫০, যশোর ১ লাখ ১৬ হাজার ৩১৭, চট্টগ্রাম ১ লাখ ৩৫, বরিশাল ৬১ হাজার ২৫, সিলেট ৬৯ হাজার ৬৮৩, দিনাজপুর ১ লাখ ৩ হাজার ৮৩২ এবং ময়মনসিংহ ৭৮ হাজার ২৭৩ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮৬ হাজার ১০২ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন।



