প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার কার্যক্রম ঈদের পর শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে পেলেই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হবে এবং এরপর দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর মহাখালীর একটি মিলনায়তনে আইনগত সহায়তা কার্যক্রম বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, তদন্তের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব আলামত যাচাই করা হচ্ছে। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন আগামী বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া গেলে ঈদের আগেই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া সম্ভব হবে।
আইনমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রতিবেদন ছাড়া অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে পরে বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাই যথাযথ প্রমাণ নিশ্চিত করেই তদন্ত শেষ করতে চায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ঈদের ছুটির পরপরই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।
এ সময় তিনি উচ্চ আদালতে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডের রায় হওয়ার পর মামলাগুলো উচ্চ আদালতে পাঠানো হলেও প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এ কারণে বিচার সম্পন্ন হতে বিলম্ব হয়। সরকার এ জটিলতা কমিয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারের মর্মান্তিক মৃত্যু দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়ে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দেয়। শিশুটির পরিবারের সদস্যরাও দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়ে আসছেন।



